بسم الله الرحمن الرحيم
اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ ঈদ এ মিলাদুন নবী ﷺ মুবারক Sunni Whatsapp Group Click : আমাদের সুন্নি বাংলা WhatsApp গ্রুপে যুক্ত হোন,আমাদের মুফতি হুজুরগণ আপনার ইসলামিক সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিবেন ইন শা আল্লাহ,জয়েন করতে ক্লিক করেন Sunni Bangla Whatsapp group আর Dui Bangla facebook group এবং Sunni Bangla facebook group মাসলাক এ আলা হজরত জিন্দাবাদ আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত জিন্দা বাদ ৭৩ফিরকা ১টি হক পথে ।নবিﷺ এর প্রেমই ঈমান।ফরজ সুন্নাত তাসাউফ সূফীবাদ নফল ইবাদতের আরকান আহকাম সমুহ মাস'আলা মাসায়েল ইত্যাদি জানতে পারবেন।নবিﷺ সাহাবাرضي الله عنه ওলি গণের জীবনি ও অমুল্য বাণী জানতে পারবেন।মুসলিম জগতের সকল খবর ও ম্যাগাজিন পাবেন এখানেহাদিস শরীফ, কুর'আন শরীফ , ইজমা কিয়াস সম্বলিত বিশ্লেষণ, বাতিলদের মুখোশ উম্মচন করে প্রমাণ সহ দলীল ভিত্তিক আলোচনা ।জানতে পারবেন হক পথে কারা আর বাতিল পথে কারা জা'আল হক। বাংলাদেশ ও ভারতের সুন্নি আলিমদের বাংলায় নাত গজল ওয়াজ নসিহত অডিও ভিডিও ডাউনলোড করুন এখান থেকে অনলাইনে সুন্নি টিভি Live দেখতে আর রেডিও Live শুনতে পাবেন। প্রচুর সুন্নি বাংলা কিতাব ডাউনলোড করুন এখান থেকে।সুন্নি ইসলামিক কম্পিঊটার এপ্লিকেশন এন্ড্রইড এপ্স পাবেন এখানে। প্রতিদিন ভিজিট করুন প্রতিদিন নতুন বিষয় আপডেট পেতে ।ভিজিট করার জন্য ধন্যবাদ জাজাকাল্লাহু খায়ের ।

মিলাদ ও কেয়াম কাকে বলে? লিঙ্কেক্লিককরে সম্পূর্ন্ন পড়ুন

মিলাদ ও কেয়াম কাকে বলে? লিঙ্কেক্লিককরে সম্পূর্ন্ন পড়ুন


আভিধানিক অর্থে মীলাদ শব্দের অর্থ হল জন্মকাল , জন্মস্হান ও জন্মদিবস ইত্যাদি । 
আর কিয়াম অর্থ হল দণ্ডায়মান হওয়া । প্রচলিত অর্থে মিলাদ কিয়াম হল রাসূলে কারিম ﷺএর
মহব্বত ও ভালবাসা নিয়ে মাহফিল বা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পবিত্র কোরআন শরীফ থেকে কিছু
বরকতময় আয়াত পাঠ করা, তাঁর শানে দরুদ শরীফ ও কাছীদা পাঠ করা ,তাঁর জন্ম
বৃত্তান্ত ও বিভিন্ন মোজেযাবলী আলোচনা করা । তাঁর সম্মানার্থ দাঁড়িয়ে সালাম পেশ করা
অবশেষে দোয়া মোনাজাত ও নেয়াজ তাবাররুকের মাধ্যমে মাহফিল সমাপ্ত  করা ।

এখন মিলাদ বিরোধী আলেমদের কাছে প্রশ্ন , উপরে বর্ণিত মিলাদের কোন আমলটা কোরআন
হাদিস বিরোধী বা গুনাহের কাজ ? জানি একটি আমলও নাজায়েয বলতে পারবেন না কারণ---
--------------- ------
প্রথমতঃ- কোরআন শরীফ তেলাওয়াত করা । যার সম্পর্কে রাসূল ﷺ বলেছেন ﺓﺩﺎﺒﻌﻟﺍ ﻞﻀﻓﺍ ﻥﺍﺮﻘﻟﺍ ﺓﻭﻼﺗ
অর্থাত্ কোরআন শরীফ তেলাওয়াত করা উত্তম ইবাদত । পবিত্র কোরআনের একটি হরফ পাঠ
করলে ১০টি ছাওয়াব পাওয়া যায় ।
---------------
দ্বিতীয়তঃ দরুদ শরীফ পাঠ করা । যার সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা এরশাদ করেছেন ﻲﻠﻋ ﻥﻮﻠﺼﻳ ﺔﻜﺋﻼﻣ ﻭ ﻪﻠﻟﺍ ﻥﺍ
ﺍﻮﻨﻣﺍ ﻦﻳﺬﻟﺍ ﺎﻬﻳﺍ ﺎﻳ ﻲﺒﻨﻟﺍ ﺍﻮﻠﺻ ﺍﻮﻤﻠﺳﻭ ﻪﻴﻠﻋ ﺎﻤﻴﻠﺴﺗ অর্থাত্ নিশ্চয়ই আল্লাহ এবং ফেরেস্তাগণ নবী সাল্লাল্লাহু
আলাইহী ওয়াসাল্লাম এর উপর দরুদ পাঠ করেন । হে ঈমানদারগণ তোমরাও তাঁর উপর দরুদ ও সালাম পাঠ
কর । আলকোরআন ।

তৃতীয়তঃ রাসূল ﷺ এর শানে নাত বা কাসিদা পাঠ করা । ইহা সাহাবায়ে কেরামগণের সুন্নাত । হযরত হাসসান বিন সাবিত রঃ এর উপাধিই ছিল শায়েরে রাসূল । তিনি মসজিদে নববীতে মিম্বর শরীফের উপর দাড়িয়ে রাসূল দঃ ও সাহাবাগণের উপস্হিতিতে নাত ও কাসিদা পাঠ করে শুনাতেন ।
---------------
চতুর্থতঃ রাসুল ﷺ এর জন্ম বৃত্তান্ত ও বিভিন্ন মোযেজাবলী আলোচনা করা । এগুলো সুন্নাতে রাসুল ও সুন্নাতে সাহাবা । কেননা
বিভিন্ন হাদিসে জানা যায় স্বয়ং রাসুল ﷺ ও সাহাবাগণ রাসুল ﷺ এর জন্মবৃত্তান্ত ও বিভিন্ন মোজেযাবলী আলোচনা করেছেন
। নিম্নে সামান্য দলীল উপস্হাপিত হল । ﻢﺗﺎﺧ ﻦﻴﻴﺒﻨﻟﺍ ﺏﻮﺒﻜﻣ ﻪﻠﻟﺍ ﺪﻨﻋ ﻲﻧﺍ ﻲﻓ ﻝﺪﺠﻨﻤﻟ ﻡﺩﺍ ﻥﺍﻭ ﻝﻭﺎﺑ ﻢﻛﺮﺘﺧﺎﺳﻭ ﻪﺘﻨﻴﻃ ﻱﺮﻣﺍ ﺓﺭﺎﺸﺑ ﻭ ﻢﻴﻫﺍﺮﺑﺍ ﺓﻮﻋﺩ ﺕﺍﺭ ﻲﺘﻟﺍ ﻲﻣﺍ ﺎﻳﻭﺭﻭ ﻲﺴﻴﻋ ﺝﺮﺧ ﺪﻗ ﻭ ﻲﻨﺘﻌﺿ ﻭ ﻦﻴﺣ ﺎﻬﻟ ﺭﻮﺼﻗ ﻪﻨﻣ ﺎﻬﻟ ﺀﺎﺿﺍ ﺭﻮﻧ ﺎﺸﻟﺍ রাসুল ﷺ বলেছেন নিশ্চয়ই
আমি আল্লাহর নিকট খাতামুন নবী হিসেবে নির্ধারিত ছিলাম যখন হযরত আদম আঃ মাটির খামিরে পরিণত ছিলেন
তোমাদেরকে আমি আমার প্রথম অবস্হার খবর দিচ্ছি আমি
হযরত আদম আঃ এর দোয়া ও হযরত ঈসা আলায়হিমুসল্লাম এর সুসংবাদ । আমার মাতা যখন আমাকে প্রসব করলেন তখন যে নূর বের
হয়েছিল তাতে শাম দেশের দালান কোঠা তিনি দেখতে পেয়েছেন । আমি সেই স্বপ্ন বা দৃশ্য । মেশকাত শরীফ পৃষ্ঠা ৫১৩ ---------------

 পঞ্চমতঃ কিয়াম বা দাড়ানো । যা জগত বিখ্যাত ওলামায়ে কেরাম এর মতে মুস্তাহাব । আপনারা দাড়িয়ে দরুদ পড়া যাবে না ঐরকম কোন দলীল দেখাতে পারবেন ? তাহলে কিসের ভিত্তিতে নাজায়েয বলেন ? যদি দাড়িয়ে দরুদ পড়া হারাম হয় তাহলে জানাযার নামাজে দ্বিতীয় তাকবীরে দরুদ পড়ার বিধান কি ? জুমা ও ঈদের খোতবাতে অসংখ্য দরুদ দাড়িয়ে পাঠ করার
হুকুম কি ? তখন কি আপনারা বসে যান ?
---------------
--------------- ------
আল্লাহ তাআলা এরশাদ করেছেন ﻭ ﺎﻣﺎﻴﻗ ﻪﻠﻟﺍ ﺍﻭﺮﻛﺩﺎﻓ ﻭ ﺍﺩﻮﻌﻗ ﻢﻜﺑﻮﻨﺟ ﻲﻠﻋ অর্থাত্ তোমরা দণ্ডায়মান , উপবিষ্ট ও শায়িত অবস্হায়
আল্লাহকে জিকির বা স্মরণ কর । সুরা নিসা , আয়াত ১০৩.
অন্নত্র এরশাদ করেছেন ﻦﻳﺬﻟﺍ ﻭ ﺎﻣﺎﻴﻗ ﻪﻠﻟﺍ ﻥﻭﺮﻛﺬﻳ ﻢﻬﺑﻮﻨﺟ ﻲﻠﻋ ﻭ ﺍﺩﻮﻌﻗ (জ্ঞানী হল তারা ) যারা দাড়িয়ে ,বসে ও শায়িত অবস্হায় আল্লাহকে জিকির বা স্মরণ করে । সূরা আলে ইমরান, আয়াত ১৯১ অত্র আয়াত
দুটো দ্বারা বুঝা গেল আল্লাহ পাকের জিকির তথা তার তাসবীহ, তাহলীল, হামদ ও ছানা দাড়িয়ে বসে ও শায়িত অবস্হায়
আদায় করা যায় ।
আল্লাহ তাআলা নবী ﷺ এর জিকিরকে নিজের জিকিরের অন্তর্ভুক্ত করেছেন। যেমন হাদিসে কুদসীতে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ
করেছেন আমি ঈমানের পূর্ণাঙ্গতাকে এ বিষয়ের উপর সম্পৃক্ত করে দিয়েছি যে ﻱﺮﻛﺫ ﻦﻣ ﺍﺮﻛﺫ ﻚﺘﻠﻌﺟ ﻦﻤﻓ ﻲﻧﺮﻛﺫ ﻙﺮﻛﺫ হে মাহাবুব আমার স্মরণের সাথে আপনার স্মরণও হবে । এবং আপনার জিকিরকে আমার জিকির হিসেবে স্হির করেছি ।
সুতরাং যে আপনার জিকির বা স্মরণ করল সে আমাকেই জিকির করল । শিফা শরীফ খণ্ড ১ পৃষ্ঠা ১২।
---------------
হাদিস শরীফে আরো এরশাদ হয়েছে ﻦﻋ ﻪﻧﺍ ﻝﺎﻗ ﺬﻔﻨﻗ ﻦﻳﺮﺟﺎﻬﻤﻟﺍ ﻪﻴﻠﻋ ﻪﻠﻟﺍ ﻲﻠﺻ ﻲﺒﻨﻟﺍ ﻲﺗﺍ ﻢﻠﺴﻓ ﻝﻮﺒﻳ ﻮﻫ ﻭ ﻢﻠﺳﻭ ﻪﻴﻠﻋ ﻢﺛ ﺄﺿﻮﺗ ﻲﺘﺣ ﻪﻴﻠﻋ ﺩﺮﻳ ﻢﻠﻓ ﻲﻧﺍ ﻝﺎﻘﻓ _ ﻪﻴﻟﺍ ﺭﺬﺘﻋﺍ ﺖﻫﺮﻛ ﻻﺍ ﻩﺮﻛﺫ ﻲﻟﺎﻌﺗ ﻪﻠﻟﺍ ﺮﻛﺫﺍ ﻥﺍ ﻲﻠﻋ ﻝﺎﻗ ﻭﺍ ﺮﻬﻃ ﻲﻠﻋ ﺓﺭﺎﻬﻃ 4 ﺹ _ 1 ﺝ _ ﺩﻭﺍﺩ ﻮﺑﺍ ﻩﺍﻭﺭ
হযরত মুহাজির বিন কুমপুজ হতে বর্ণিত , তিনি হুযুর পাক ﷺ এর নিকট এসে এমন অবস্হায় সালাম দিলেন যখন রাসূলﷺ প্রস্রাব
খানায় ছিলেন । কিন্তু হুজুর ﷺ তার সালামের জবাব দিলেন না ।
অজু করে সালামের জবাব দিলেন এবং জবাব দেরিতে দেওয়ার কারণ হিসেবে বলেন , আমি অপবিত্র অবস্হায় আল্লাহর জিকির করা ভাল মনে করিনা । আবু দাউদ , ১/৪. উক্ত হাদিসে স্পষ্ট বুঝা যায় নবীজিকে সালাম দেওয়াও আল্লাহর
জিকরের অন্তর্ভূক্ত ।
সুতরাং দরুদ, সালাম, নবীর আলোচনা , নবীর নাত প্রশংসা করা আল্লাহ পাকের জিকিরের অন্তর্ভূক্ত । আরআল্লাহর যেমনি দাড়িয়ে বসে করা যায় আমার রাসূল ﷺ এর জিকিরও দাড়িয়ে বসে করা যাবে ।
---------------
ষষ্ঠতঃ দোয়া মোনাজাত ও তাবারুক বিতরণ করা । দোয়া মুনাজাত সম্পর্কেতো কারো আপত্তি নেই। বাকী রইল তাবারুক বিতরণের কথা । ভাই বোন ,আত্মীয় স্বজন , পাড়া প্রতিবেশী এদের মধ্যে বিভিন্ন মাহফিলে উপস্হিত ব্যক্তিকে খাদ্য দ্রব্য
প্রদান করা সুন্নাত ও মুস্তাহাব । যেমন ﻭﺮﻤﻋ ﻦﺑ ﻪﻠﻟﺍ ﺪﺒﻋ ﻦﻋ ﻥﺍ ﻲﻠﺻ ﻪﻠﻟﺍ ﻝﻮﺳﺭ ﻝﺎﺳ ﻼﺟﺭ ﻝﻼﺳﻻﺍ ﻱﺍ ﻢﻠﺳﻭ ﻪﻴﻠﻋ ﻪﻠﻟﺍ ﻭ ﻡﺎﻌﻄﻟﺍ ﻢﻌﻄﺗ ﻝﺎﻗ ﺮﻴﺧ ﺖﻓﺮﻋ ﻦﻣ ﻲﻠﻋ ﻡﻼﺴﻟﺍ ﻱﺮﻘﺗ ﻑﺮﻌﺗ ﻢﻟ ﻦﻣ ﻭ এক ব্যক্তি রাসুল ﷺ কে জিজ্ঞেস করলেন ইসলামে কোন আমলটি উত্তম ?
তদুত্তরে রাসূল ﷺ বলেন অন্যকে খাদ্য খাওয়ানো এবং তোমার পরিচিত ও অপরিচিত প্রত্যেককে সালাম দেওয়া । মেশকাত শরীফ পৃঃ ৩৯৭ সুতরাং মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করে কাউকে খাদ্য খাওয়ালে
বা হাদিয়া প্রদান করলে দোষ কেন হবে ? উহা কি কারণে নাজায়েয হবে ? নাউযুবিল্লাহ । অথচ আপনারা বলেন " হিন্দুদের
বিভিন্ন পূজা উত্সবের প্রসাদ গ্রহণ করা ও খাওয়া হালাল "। দেখুন ওহাবী কিতাব ফতোয়ায়ে রশিদিয়া ৫৭৫ পৃষ্ঠা ।সকল
ওহাবী লা মাজহাবীদের কাছে চ্যালেন্জ থাকল। পারলে মিলাদ শরীফে উপরের আমল গুলো নাজায়েয প্রমাণ করুন । না পারলে আল্লাহর দরবারে তাওবা করে আহলে সুন্নাতে যোগদান করুন । 
মিলাদ বিরোধীরা কত নিকৃষ্টতা দেখুন । তাদের অন্তর আল্লাহর রাসূলের প্রতি বিদ্বেষে পরিপূর্ণ । যেমন বুখারী শরীফের
ব্যাখ্যাকার বিশ্ব বিখ্যাত মুহাদ্দিস আল্লামা কুস্তোলানী রহঃ বলেন ﻲﻟﺎﻴﻟ ﺬﺨﺗ ﺍﺮﻣﺍ ﻪﻠﻟﺍ ﻢﺣﺮﻓ ﺍﺩﺎﻴﻋﺍ ﻙﺭﺎﺒﻤﻟﺍ ﺪﻟﻮﻣ ﺮﻬﺷ ﺫﺎﺤﺗﻻﺍ ﻥﻮﻜﻴﻟ ﺪﻴﻋ ﻊﻤﺟ ﺪﺷﺍ ﺎﻬﻀﻌﺑ ﻲﻓ ﻭ ﺽﺮﻣ ﻱﺍ ﺔﻠﻋ ﻱﺍ ﺔﻋﻮﻤﻀﻣ ﺔﻤﺠﻌﻣ ﻦﻴﻐﺑ ﺎﻤﻫ ﻼﻜﻓ ﻪﺒﻠﻗ ﻕﺍﺮﺘﺣﺍ ﺢﻴﺤﺻ ﺽﺮﻣ ﻪﺒﻠﻗ ﻲﻓ ﻦﻣ ﻲﻠﻋ যে ব্যক্তি রাসুলﷺএর শুভাগমনের মোবারক মাসের রাত সমূহকে ঈদ হিসেবে উদযাপন করবে এ জন্য যে , যাদের অন্তরে রোগ রয়েছে তাদের ঐ রোগ যেন আরো শক্ত আকার ধারণ করে এবং যন্তণায় অন্তর চ্বলে পুড়ে যায় । [শরহে জুরকানী আরাল মাওয়াহেব । ১ম খন্ড,
পৃষ্ঠা ২৬২]
---------------
প্রাচ্যের বুখারী শেখ আব্দুল হকমুহাদ্দিস দেহলবী রহঃ বলেন ﺭﺮﭘ ﻥﺍ ﻲﻟﺎﻌﺗ ﻪﻠﻟﺍ ﻝﺯﺎﻧ ﮟﻴﺘﻤﺣ ﻲﺒﻨﻟﺍ ﺩﻼﻴﻣ ﻮﺟ ﮯﮬ ﺎﺗﺮﻛ ﻲﻠﺻ ﻮﻛ ﺐﺷ ﻲﻛ ﻢﻠﺳﻭ ﻪﻴﻠﻋ ﻪﻠﻟﺍ ﺲﺟ ﺭﻭﺍ _ ﮟﻴﻫ ﻲﺗﺎﻨﻣ ﺪﻴﻋ ﻲﻨﻤﺛﺩ ﺭﻭﺍ ﺩﺎﻨﻋ ﮟﻴﻣ ﻝﺩ ﻲﻛ ﻲﻨﭘﺍ ﻩﻭ ﮯﮬ ﻱﺭﺎﻤﻴﺑ ﻲﻛ ﺓﺩﺎﻳﺯ ﺭﻭﺍ ﮟﻴﻣ ﻲﻨﻤﺷﺩ ﺖﺨﺳ ﮯﮬﺎﺗﺎﺟ

যে ব্যাক্তি মীলাদুন্নবী ﷺ এর রাত্রকে ঈদ হিসেবে পালন করে তার উপর আল্লাহ তাআলা রহমত নাযিল করেন , আর যার
অন্তরে হিংসা এবং রোগ রয়েছে তার ঐ রোগ আরো শক্ত আকার ধারণ করে । [মা সাবাতা বিসসুন্নাহ (উর্দু ) পৃষ্ঠা ৮৬]
--------------- --------------- ------
আল্লাহ তাআলে এসব নিকৃষ্ট জীবদের যথাযথ প্রতিদান দান করুক । আমীন
Sign In or Register to comment.
|Donate|Shifakhana|Board|All Sunni Site|EarnMB.in|