بسم الله الرحمن الرحيم
اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ Sunni Whatsapp Group Click : আমাদের সুন্নি বাংলা WhatsApp গ্রুপে যুক্ত হোন,আমাদের মুফতি হুজুরগণ আপনার ইসলামিক সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিবেন ইন শা আল্লাহ,জয়েন করতে ক্লিক করেন Sunni Bangla Whatsapp group আর Sunni Bangla facebook group এবং Sunni Bangla facebook group মাসলাক এ আলা হজরত জিন্দাবাদ আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত জিন্দা বাদ ৭৩ফিরকা ১টি হক পথে ।নবিﷺ এর প্রেমই ঈমান।ফরজ সুন্নাত তাসাউফ সূফীবাদ নফল ইবাদতের আরকান আহকাম সমুহ মাস'আলা মাসায়েল ইত্যাদি জানতে পারবেন।নবিﷺ সাহাবাرضي الله عنه ওলি গণের জীবনি ও অমুল্য বাণী জানতে পারবেন।মুসলিম জগতের সকল খবর ও ম্যাগাজিন পাবেন এখানেহাদিস শরীফ, কুর'আন শরীফ , ইজমা কিয়াস সম্বলিত বিশ্লেষণ, বাতিলদের মুখোশ উম্মচন করে প্রমাণ সহ দলীল ভিত্তিক আলোচনা ।জানতে পারবেন হক পথে কারা আর বাতিল পথে কারা জা'আল হক। বাংলাদেশ ও ভারতের সুন্নি আলিমদের বাংলায় নাত গজল ওয়াজ নসিহত অডিও ভিডিও ডাউনলোড করুন এখান থেকে অনলাইনে সুন্নি টিভি Live দেখতে আর রেডিও Live শুনতে পাবেন। প্রচুর সুন্নি বাংলা কিতাব ডাউনলোড করুন এখান থেকে।সুন্নি ইসলামিক কম্পিঊটার এপ্লিকেশন এন্ড্রইড এপ্স পাবেন এখানে। প্রতিদিন ভিজিট করুন প্রতিদিন নতুন বিষয় আপডেট পেতে ।ভিজিট করার জন্য ধন্যবাদ জাজাকাল্লাহু খায়ের ।
পবিত্র গেয়ারভী শরীফের ফযীলত হাফেজ নূর মোহাম্মদ

পবিত্র গেয়ারভী শরীফের ফযীলত হাফেজ নূর মোহাম্মদ

edited January 2017 in Mas'la Masayel

পবিত্র গেয়ারভী শরীফের ফযীলত
হাফেজ নূর মোহাম্মদ


আল্লাহর অলি গনের মধ্যে গাউছে পাক (রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) এর মর্যাদাএমন ছিল, যেমনিভাবে নবীগনের মধ্যে হুজুর পাক (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর মর্তবা বা মর্যাদা ছিল। হুজুর পাক (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ’র জাতে পাকের মধ্যে হুজুর গাউছে পাক (রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) এমন ভাবে মুহাববতের মাধ্যমে বিভোর ছিলেন ,ফলে তিনি নবী পাক (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর মধ্যে সওাগত দিক , গুণগত দিক দিয়ে, কথা এবং কাজের দিক দিয়ে একদম ফানা ছিলেন, আর এ জন্য হুজুরে পাক (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নূরানি সত্ত্বা মোবারকের বৈশিষ্ট্য সমূহ গাউছে পাক (রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) এর অসিত্মত্বের মধ্যে বিরাজমান ছিল।
ইমাম আব্দুল্লাহ্ ইয়াফেয়ী বর্ননা করেন, হুজুর গাউছে পাকের কারামত অগনিত,তন্মধ্য উল্লেখযোগ্য যে, তার জিসিম পাকের উপর কখনও একটি মশা,মাছি বসেনি এবং তার ঘাম তথা ফসিনা মোবারক মেশ্কে আম্বরের মত খুশবু ঘ্রান এবং তার প্রস্রাব ও পায়খানা মোবারক জমিন গ্রাস করে ফেলত। এ সব কিছুই হুজুর পাক (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর মধ্যে বিরাজমান ছিল। এ সমপর্কে হুজুর গাউছে পাক (রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি উত্তরে বলেন এ শরীরকে আব্দুল কাদেরের শরীর মনে করো না বরং এটা প্রিয় নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর শরীর মোবারক হতে সৃষ্ট। অতএব, হুজুর গাউছে পাক (রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) এর কোন তুলনা নেই। এই জন্য তিনি বলেন,‘‘আমাকে কোন অলির উপর তুলনা করিওনা। কোন অলিকেও আমার উপর তুলনা করিওনা’’। তাই তার এই গিয়ারভী শরীফ মাহফিলের ফাযায়েল অতুলনীয়। এমনকি তিনি এতে বলেন, আমার এ মাহফিলের মধ্যে সমসত্ম আম্বিয়ায়ে কেরাম, আউলিয়ায়ে কেরামগণ উপস্থিত হন। ফলে গেয়ারভী শরীফের মাহফিল পালনের মাধ্যমে নবী ও অলীগনের ফয়ূযাত ও বরকত এবং তাদের শুভদৃষ্টি পাওয়ার অন্যতম একটি উছিলা। (মুনাকিবে গাউছিয়া) নিম্নে কতিপয় ফাযায়েলের বিবরন পেশ করা হলোঃ
১. শাহ ওয়ালীউল্লাহ মুহাদ্দেস দেহলভী (রহ:) বলেন, আমি স্বপ্নের মধ্যে একটি উঁচু জায়গা দেখতে পেলাম, সেখানে অনেক অলী আল্লাহগণ বৃত্ত আকারে বসে মুরাকাবা করছেন। তাদের মধ্যে হযরত বাহাউদ্দীন নক্শেবন্দী এবং হযরত জুনায়েদ বোগদাদী (রহ:) কে ঠেস লাগিয়ে বসা অবস্থায় দেখতে পেলাম, তারা আল্লাহর ধ্যানে বিমগ্ন অবস্থায় রয়েছে। আমি এদের নিকট জিজ্ঞেস করলাম, আপনাদের এক মুয়ামেলা অধিবেশন, তাদের মধ্যে একজন বললেন- হযরত আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) কে এসেত্মকবালী করার জন্য যাচ্ছি। হযরত আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) এর সাথে এক ব্যক্তি ছিলেন, যিনি চাদর মোড়ানো অবস্থায় জিজ্ঞাসা করলাম উনি কে? উত্তরে বললেন তিনি হযরত ওয়াইছ কারনী (রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) এরপর একটি হুজরা শরীফের মধ্যে সব অলী আল্লাহগণ প্রবেশ করলেন। যেখানে আল্লাহর নূর বর্ষিত হচ্ছে। সেখানে উপস্থিত হওয়ার জন্য এসব আউলিয়ায়ে কেরামগণ উপস্থিত হচ্ছে। (কালিমায়ে তৈয়্যেবা, কৃত শাহ ওয়ালী উল্লাহ মুহাদ্দেস দেহলভী)
২. ‘‘মিলাদে শাইখে বরহক্ব’’ নামক কিতাবে বর্ণিত আছে, গাউছে পাক (রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) ১২ই রবিউল আউয়াল শরিফ কে বড়ই গুরুত্ব সহকারে পালন করতেন। এক রাতে নবী পাক (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে সপ্নে বললেন, ‘‘হে আব্দুল ক্বাদির! তুমি আমার ১২ই রবিউল আউয়ালকে যে সম্মান প্রদর্শন করেছ, তার বিনিময়ে আমি তোমাকে গেয়ারভী শরীফ দান করলাম। যে উহা ভক্তি ও মুহাববত সহকারে পালন করবে সে খায়ের ও বরকত লাভ করতে পারবে।আর এ গেয়ারভী শরীফ পৃথিবীর পূর্ব হতে পশ্চিম কেয়ামত পর্যমত্ম জারী থাকবে,ইনশাআল্লাহ।’’
৩. গেয়ারভী শরীফের বরকতের মধ্যে গাউছে পাক (রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) ওই ওয়াদা বরহক প্রমাণিত হয়, যে ওয়াদা তাঁকে আল্লাহ পাক দান করেছেন যে, আপনার মুরিদদের মধ্যে কাউকে আমি দুনিয়া ও আখেরাতের কোন আগুনে বন্ধি করবো না। (ফয়ূযাতে রববানীয়া, তাফসিরুল খাতের)
৪. ‘‘ফতোয়ায়ে রেজভীয়া’’ এর দশম খন্ডে হিজরী চতুর্দশ শতাব্দীর মুজাদ্দেদ আ’লা হযরত শাহ ইমাম আহমদ রেজা খান ফাযেলে বেরলভী (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) লিখেছেন, গেয়ারভী শরীফ পালন করা উত্তম ও ভাল কাজ এবং এটা শরীয়ত সম্মত।
৫. যারা গেয়ারভী শরীফ মুহাববত ও ভক্তি সহকারে পালন করবে তাদের রÿায় গাউছে পাকই জামিনদার। ‘‘হাকিকতে জিন্দেগী’’ নামে এক পুসিত্মকা, যাকে শামসুল হক দেওবন্দী আফগানি সত্যায়ন করেছে , সেখানে উল্লেখ আছে ,হুজুর গাউছে পাক (রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) হাসানি এবং হোসাইনী এ নুরানী দুই ধারার ফযীলতে অনন্য আধ্যাত্নিক শক্তির অধিকারি হয়েছেন । যার কারনে তিনি কয়েক বৎসরের ডুবমত্ম বরযাএীসহ নব দুলহা ও দুলহীনকে পুনরায় জিন্দা করে দজলা নদী থেকে বের করে আনলেন । যাদের শরীর পানির মধ্যে টুকরা হয়ে ছিন্ন ভিন্ন হয়ে গিয়েছিল। ওই নব দুলহার নাম কবীর উদ্দীন প্রকাশ শাহ দুলহা । পাকিসত্মানের পাঞ্জাব প্রদেশের গুজরাটে তার মাজার অবস্থিত। হুজুর গাউছে পাক (রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ) এর দোয়ার বরকতে ছয়শত বছর তার হায়াত হয়েছিল । উক্ত ঘটনাটি প্রসিদ্ধ ও প্রমাণ্য কিতাবের মধ্যে রয়েছে। বিশেষকরে তাফসিরে খাজাঈনুল ইরফানের মধ্যে আল্লামা মুফতী আহমদ ইয়ারখান নঈমী (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) ,ফতয়ায়ে নঈমীর মধ্যে মুফতী আহমদ ইয়ার খান নঈমী (রাহমাতুল্লাহি আলাইহি) তাফসীরুল খাতের এর মধ্যে আল্লামা মহিউদ্দীন ইয়ারবিলী (রাহমাতুল্লাহি আলাইহি) ইত্যাদি কিতাব সমূহের মধ্যে বিসত্মারিত বর্নণা রয়েছে।
৬. হযরত মাওলানা ওয়াহিদ কাদেরী ‘‘মিলাদে শাইখে বরহক্ব’’ নামক তিাবের মধ্যে আলোচনা করেন যে, গেয়ারভী শরীফের ফাযায়েল ও কামালাত বেশুমার। আমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি নিয়মিত গেয়ারভী শরীফ পাবন্দের সহিত পালন করে ঐ ব্যক্তির কোন অভাব থাকে না। থাকবে না। এবং সাথে সাথে আধ্যাত্মিকতার মধ্যে উন্নতি লাভ করে।
৭. মাওলানা ক্বারী এমাত আলভী কাদেরী বর্ণনা করেন, হিন্দুস্থানের বোরহানপুরের আমাদের বাড়ির কাছে এক হিন্দু গাউছে পাকের ভক্ত ছিলেন এবং প্রত্যেক মাসের ১১ তারিখে খাবার তৈরী করে গাউছে পাকের গেয়ারভী শরীফের মধ্যে নজরানা পেশ করতেন এবং গরীব মিসকিনদের মধ্যে তা বন্টন করতেন। যখন ঐ ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করল, তখন হিন্দুরা তাদের ধর্ম রীতি অনুযায়ী পোড়ানোর জন্য তাকে শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হয়। হিন্দুরা অনেক চেষ্টা করেও ঐ ব্যক্তিকে আগুনে দিয়ে দাহ করতে পারেনি। অবশেষে বিরক্ত হয়ে হিন্দুরা তাকে এক নদীর মধ্যে ভাসিয়ে দিল। ইতিমধ্যে এক দরবেশকে হুজুর গাউছে পাক (রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ) স্বপ্নের মধ্যে নির্দেশ দিলেন যে, অমুক জায়গায় আমার এক হিন্দু আমার কোন আউলাদের নিকট চুপে চুপে মুসলমান হয়েছিল এবং মনে প্রাণে ইসলামের আশেক ছিল। এবং আমার কাদেরিয়া তরিকার অমত্মরভুক্ত হয়েছিল। ( কিন্তু প্রকাশ্য নয়) এখন সে মৃত্যুবরণ করেছে। তুমি (দরবেশ) গিয়ে তা দাফন-কাফনের ব্যবস্থা কর। ঐ দরবেশ হিন্দুস্থানের বোরহানপুরে এসে ঐ হিন্দুদের নিকট থেকে ঐ ব্যক্তির লাশ, যা পানির মধ্যে ভাসিয়ে দিয়েছিল, সেই লাশ গ্রহন করে ইসলামী নিয়মানুযায়ী দাফন-কাফন সমাপ্ত করলেন। (তাফসীরুল খাতের, মিলাদে শায়েখে বরহক) এতে বুঝা গেল, গেয়ারভী শরীফকে ভক্তি ও মুহাববত করার কারণে ঐ ব্যক্তির যদি এই মর্যাদা হয়।
তাহলে মুসলমানেরা গেয়ারভী শরীফ পালন করলে তার কি যে মর্তবা হবে? তাহলে একটু চিমত্মা করলে আমরা বুঝতে পারব।
৮. গেয়ারভী শরীফের বরকতে ডুবমত্ম মাল পুনরায় ফেরত পাওয়া:-
এটা গেয়ারভী শরীফের আরেক অনন্য ফযিলত । ‘‘সামসামে কাদেরিয়া ও মিলাদে শাইখে বরহক’’ব নামক কিতাবের ১১৭৯ পৃষ্ঠার মধ্যে বর্নিত, এক ব্যবসায়ীর কাজ করার জন্য জাহাজের মাধ্যমে চলতেছিল। কয়েকটি জাহাজে ভর্তি করে ব্যবসায়ীর ব্যবসার মাল সাগর পথে পাঠানো হল, হঠাৎ করে ঐ জাহাজ তার মালসহ সাগরে ডুবে গেল। কর্মচারীরা ব্যবসায়ীর নিকট মুহূর্তে চিঠি লিখলো, মালসহ জাহাজ সাগরে ডুবে গেছে। ব্যবসায়ী চিঠির উত্তর লিখলো, তোমরা কোন চিমত্মা করোনা । তবে চেষ্টা করো, আমার পূর্ণ বিশ্বাস যে, আমার মাল নষ্ট হবে না। কারণ আমি হুজুর গাউসে পাক (রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) এর গেয়ারভী শরীফ পালন করি। এই চিঠি পাওয়া মাত্র ঐ কর্মচারীরা সাগরের পানির মধ্যে নিমজ্জিত জাহাজ তল্লাসীর জন্য পানিতে নেমে গেল। কিছুক্ষন পর এ কর্মচারীরা ঐ জাহাজকে মালসহ সাগরের তীরে উপস্থিত দেখতে পেল। জাহাজের মালামাল বিক্রয় করে অনেক লাভবান হল এবং ঐ বিক্রয়কৃত টাকা ব্যবসায়ীর নিকট পৌছানো হলে তখন ঐ ব্যবসায়ী খুশিতে আত্মহারা হয়ে হুজুর গাউসে পাকের জন্য গেয়ারভী শরীফের মাধ্যমে ফাতেহা ও নেওয়াজের ব্যবস্থা করলেন।
৯. গেয়ারভী শরীফ বিনয়ের সাথে যারা পালন করবে, তাদের দুনিয়াতে কোন ক্ষতি নেই । এটা পরিক্ষিত, আমাদের এ দেশে প্রতি মাসে গেয়ারভী শরীফে যোগদানকারীরা আল্লাহর রহমতে গাউসে পাক (রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ) ’র ফয়েজে ও বরকতে সুখের মধ্যে জীবন জাপন করে আসছে। গেয়ারভী শরীফ সকল মুসলমান ঈমানদারদের জন্য এক অফুরমত্ম রহমত পাওয়ার উছিলা। এর মাধ্যমে মুসলমানদের আধ্যাত্বিক মানষিক ও শারীরিক উন্নতি সাধিত হয়। এমনকি অনেক ব্যক্তির ভাগ্য খুলে যায়।
১০.যেখানে এই গেয়ারভী শরীফ পালিত হয়, সেখানে খোদার রহমত নাযিল হয়। কেননা, হাদীস
শরীফে বর্ণিত আছেঃ ‘‘তানায্যালুর রাহমাতু ইনদা যিক্রিছ ছালেহীন’’ অথাৎ আউলিয়া গনেআলোচনা মজলিশে খোদার রহমত নাযিল হয়ে থাকে ।
১১.‘‘ফাযায়েলে গাউছিয়া’’ নামক কিতাবে উল্লেখ আছে, যে ব্যাক্তি নিয়মিত ভাবে প্রতি চাঁদের ১১ তারিখে গেয়ারভী শরীফ পালন করবে, সে অল্প দিনের মধ্যে ধনবান ও স্বচ্ছল হবে এবং তার দারিদ্রতা দূর হয়ে যাবে। যে ব্যক্তি ইহাকে ঘৃনা বা অস্বীকার করবে, সে দারিদ্রের মধ্যে থাকবে। তাই উপরোক্ত আলোচনার দারা প্রতীয়মান হয় যে, পবিত্র গেয়ারভী শরীফ নতুন কোন আবিস্কৃত আমল নয়, বরং এটা হযরত বাবা আদম আলাইহিস সালাম থেকে আরম্ভ করে অনেক নবীগন ও আউলিয়ায়ে কেরামগণ এর শরীয়ত সম্মত একটি উত্তম আমল ও ইবাদত। আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলকে এ পবিত্র আমল মুহাববত ও তা’জীমের সাথে সর্বদা পালন করার মত তৌফিক দান করুন। আমিন! বিহুরমাতি সায়্যিদিল মুরসালিন।

Comments

Sign In or Register to comment.
|Donate|Shifakhana|Urdu/Hindi|All Sunni Site|Technology|