بسم الله الرحمن الرحيم
اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ Sunni Whatsapp Group Click : আমাদের সুন্নি বাংলা WhatsApp গ্রুপে যুক্ত হোন,আমাদের মুফতি হুজুরগণ আপনার ইসলামিক সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিবেন ইন শা আল্লাহ,জয়েন করতে ক্লিক করেন Sunni Bangla Whatsapp group আর Sunni Bangla facebook group এবং Sunni Bangla facebook group মাসলাক এ আলা হজরত জিন্দাবাদ আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত জিন্দা বাদ ৭৩ফিরকা ১টি হক পথে ।নবিﷺ এর প্রেমই ঈমান।ফরজ সুন্নাত তাসাউফ সূফীবাদ নফল ইবাদতের আরকান আহকাম সমুহ মাস'আলা মাসায়েল ইত্যাদি জানতে পারবেন।নবিﷺ সাহাবাرضي الله عنه ওলি গণের জীবনি ও অমুল্য বাণী জানতে পারবেন।মুসলিম জগতের সকল খবর ও ম্যাগাজিন পাবেন এখানেহাদিস শরীফ, কুর'আন শরীফ , ইজমা কিয়াস সম্বলিত বিশ্লেষণ, বাতিলদের মুখোশ উম্মচন করে প্রমাণ সহ দলীল ভিত্তিক আলোচনা ।জানতে পারবেন হক পথে কারা আর বাতিল পথে কারা জা'আল হক। বাংলাদেশ ও ভারতের সুন্নি আলিমদের বাংলায় নাত গজল ওয়াজ নসিহত অডিও ভিডিও ডাউনলোড করুন এখান থেকে অনলাইনে সুন্নি টিভি Live দেখতে আর রেডিও Live শুনতে পাবেন। প্রচুর সুন্নি বাংলা কিতাব ডাউনলোড করুন এখান থেকে।সুন্নি ইসলামিক কম্পিঊটার এপ্লিকেশন এন্ড্রইড এপ্স পাবেন এখানে। প্রতিদিন ভিজিট করুন প্রতিদিন নতুন বিষয় আপডেট পেতে ।ভিজিট করার জন্য ধন্যবাদ জাজাকাল্লাহু খায়ের ।

হাদিস শরীফের আলোকে শবে বরাতের ফজিলত কি??

হাদিস শরীফের আলোকে শবে বরাতের ফজিলত কি??

edited February 2016 in Ibadat amal
ﺍﻟﺤﻤﺪﻟﻠﻪ ﺭﺏ ﺍﻟﻌﺎﻟﻤﻴﻦ ﻭﺍﻟﺼﻼﺓ ﻭﺍﻟﺴﻼﻡ ﻋﻠﻰ ﺳﻴﺪﻧﺎ
ﻣﺤﻤﺪ ﺭﺳﻮﻟﻪ ﺍﻟﻜﺮﻳﻢ
ইদানিং ফেসবুক আর ইন্টারনেটে বেশ
কিছু মুফতির আগমন ঘটেছে। তারা সৌদি
ওহাবী সরকারের আশির্বাদপুষ্ট কিন্তু
নিজেদের পরিচয় দেয় আহলে হাদিস, লা
মাজহাবী কিংবা সালাফি বলে। তারা
তাদের কর্মকাণ্ডের বিনিময়ে লাভ করে
আর্থিক সুবিধা। অর্থাৎ তারা ওহাবীদের
বেতনভুক্ত চাটুকার এবং ওহাবীবাদের
প্রচারক। তাদের কাজ হল ইসলামে নতুন
নতুন ফের্কার আবির্ভাব ঘটানো। যেসব
বিষয় রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লামের যুগ থেকে প্রচলিত সেসব
আমলকেও তারা বিদাত, শিরক ইত্যাদি
নামে অভিহিত করে সাধারণ মুসমানকে
বিভ্রান্তিতে ফেলছে। যেমন তাদের
মতে শবে বারাত বলে কুরআনে হাদিসে
কিছু নেই। এটা বেদাত। একথা শুনে যে
কেউ হঠাত ভাবতে পারেন তাইতো,
কুরআনে তো শবে বারাত বলে কোন শব্দ
নাই। এটা তাদের এক ধরণের ধোঁকা বা
ফাঁদ।
আসলে শবে বারাত ফার্সি শব্দ তাই এই
শব্দগুলো কুরআন বা হাদিসে নেই। যেমন
নামাজ-রোজাও কুরআনে বা হাদিসে
নেই। কুরআন ও হাদিসে রয়েছে সালাত আর
সাওম। এগুলোর ফার্সি প্রতিশব্দ হল
নামাজ ও রোজা। তেমনি ভাবে শবে
বারাত ও ফার্সি শব্দ। আমরা আগের দুই
পর্বে আলোচনা করেছি কুরআনে
"লাইলাতাম মুবারাকা" বলে আল্লাহ পাক
রাব্বুল আলামীন সূরা দুখানে শবে
বারাতকে উদেশ্য করেছেন। এবং তিনি
ঘোষণা করেন যে 'এই রাতে প্রজ্ঞাময়
বিষয়ের ফায়সালা হয়ে থাকে'। হাদিসে
এই রাত্রিকে বলা হয়েছে "লাইলাতুন-
নিসফু মিন শাবান" অর্থাৎ শাবানের মধ্য
রাত্রি। কোন কোন তাফসীরকারগণ
"লাইতাতাম মুবারাকা" দিয়ে শবে
কদরকে বুঝিয়েছেন আবার অনেকেই এর
দ্বারা শবে বারাতকে বুঝিয়েছেন।
কেননা যে রাতে ভাগ্য লিপিবদ্ধ করা হয়
কিংবা প্রজ্ঞাময় বিষয়ের ফায়সালা
করা হয় তা শবে কদর নয়, বরং শবে বারাত
বা শাবানের মধ্য রাত্রি। এই নিয়ে
অনেক হাদিস রয়েছে তার কিছু সহীহ আর
কিছু হাসান সহীহ পর্যায়ের। তবে আহলে
হাদিস নামের খবিসদেরকে বলতে শুনবেন
ওইসব হাদিস জাল, দুর্বল কিংবা
বানোয়াট।
শবে বারাত সংক্রান্ত অনেক হাদিসের
মধ্যে কিছু হাদিসের কয়েকজন
বর্ণনাকারী সম্পর্কে কিছু সন্দেহ রয়েছে,
যেমন তাদের কারো নামে অভিযোগ
রয়েছে যে তাদের মেধা অন্যান্য
বর্ণনাকারীর সমপর্যায়ের নয়। কারো
বিরুদ্ধে আবার অভিযোগ যে তিনি হাদিস
বাড়িয়ে বলতেন। কিন্তু পর্যালোচনা
করলে দেখতে পাই যে হাদিসের
বিষয়বস্তু ঠিক রেখে একই হাদিস একাধিক
বর্ণনাকারীর মাধ্যমে বিভিন্ন কিতাবে
স্থান পেয়েছে। কাজেই বুঝা যায় যে
হাদিসটির প্রতিটি শব্দ হুবহু রাসুল
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের
বাণী না হলেও তাঁর ভাবার্থটি রাসুল
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এ
নিয়ে কোন সন্দেহ নেই। সহীহ বুখারি ও
সহীহ মুসলিমের অনেক হাদিস পড়লে
দেখতে পাবেন হাদিস এক কিন্তু রাবি
ভেদে কথা বা শব্দের তারতম্য রয়েছে।
যেহেতু শবে বারাত সম্পর্কিত
হাদিসগুলোর মধ্যে আমল ও ফজিলতে মিল
খুঁজে পাওয়া যায় এবং অনেক বিখ্যাত
সাহাবা (রাঃ) থেকে বর্ণিত কাজেই
সেগুলো হাসান সহীহ। এমত পোষণ
করেছেন আহলে হাদিসের ইমাম আলবানি
নিজেও। নিচে আলবানি সাহেবের
উক্তিটি হুবহু তুলে ধরা হবে ইনশাল্লাহ।
শবে বরাত ফযীলতপূর্ণ নয়, বা এ রাতে
গুরুত্ব দিয়ে ইবাদত করা বেদাত এ মর্মে
কোন হাদীস রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লাম থেকে বিদ্যমান নেই। বরং
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
থেকে বিভিন্ন সূত্রে বর্ণিত আছে শবে
বরাতের ফযীলত সম্পর্কে। তবে যেহেতু এ
মতের বিপরীত কোন হাদীসই বিদ্যমান
নেই, তাই শবে বরাতকে হাদীস দ্বারা
প্রমাণিত হওয়ার পরও বেদাত বলাটা
হাদীস সম্পর্কে অজ্ঞতার পরিচায়ক। আর
জেনে কেউ এমনটি বলে থাকলে রাসূল
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের
হাদীস অস্বীকারের ফলে ঈমানহারা
হয়ে যাবে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লামের হাদীসের প্রতি
বিদ্বেষী হওয়া ছাড়া হাদীস দ্বারা
প্রমাণিত এ ফযীলতপূর্ণ রাতকে কেউ
অস্বিকার করতে পারে না।
নিম্নে কয়েকটি হাদীস উল্লেখ করা হল




--------------
ﻋﻦ ﻋﻠﻲ ﺑﻦ ﺃﺑﻲ ﻃﺎﻟﺐ ﻗﺎﻝ ﻗﺎﻝ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ
ﻋﻠﻴﻪ ﻭ ﺳﻠﻢ ( ﺇﺫﺍ ﻛﺎﻧﺖ ﻟﻴﻠﺔ ﺍﻟﻨﺼﻒ ﻣﻦ ﺷﻌﺒﺎﻥ ﻓﻘﻮﻣﻮﺍ
ﻟﻴﻠﻬﺎ ﻭﺻﻮﻣﻮﺍ ﻧﻬﺎﺭﻫﺎ . ﻓﺈﻥ ﺍﻟﻠﻪ ﻳﻨﺰﻝ ﻓﻴﻬﺎ ﻟﻐﺮﻭﺏ
ﺍﻟﺸﻤﺲ ﺇﻟﻰ ﺳﻤﺎﺀ ﺍﻟﺪﻧﻴﺎ . ﻓﻴﻘﻮﻝ ﺃﻻ ﻣﻦ ﻣﺴﺘﻐﻔﺮ ﻟﻲ
ﻓﺄﻏﻔﺮ ﻟﻪ ﺃﻻ ﻣﻦ ﻣﺴﺘﺮﺯﻕ ﻓﺄﺭﺯﻗﻪ ﺃﻻ ﻣﺒﺘﻠﻰ ﻓﺄﻋﺎﻓﻴﻪ ﺃﻻ
ﻛﺬﺍ ﺃﻻ ﻛﺬﺍ ﺣﺘﻰ ﻳﻄﻠﻊ ﺍﻟﻔﺠﺮ )
হযরত আলী বিন আবু তালীব রাঃ থেকে
বর্ণিত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, যখন শাবান
মাসের অর্ধেকের রজনী আসে [শবে বরাত]
তখন তোমরা রাতে নামায পড়, আর দিনের
বেলা রোযা রাখ। নিশ্চয় আল্লাহ এ রাতে
সূর্য ডুবার সাথে সাথে পৃথিবীর আসমানে
এসে বলেন-কোন গোনাহ ক্ষমাপ্রার্থী
আছে কি আমার কাছে? আমি তাকে ক্ষমা
করে দিব। কোন রিজিকপ্রার্থী আছে
কি? আমি তাকে রিজিক দিব। কোন
বিপদগ্রস্থ মুক্তি পেতে চায় কি? আমি
তাকে বিপদমুক্ত করে দিব। আছে কি এমন,
আছে কি তেমন? এমন বলতে থাকেন ফযর
পর্যন্ত। {সূনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস
নং-১৩৮৮, শুয়াবুল ঈমান, হাদীস নং-৩৮২২, }
এ হাদিসটি অন্য আরও সূত্রে বর্ণিত হয়েছে
যেখানে ১০০ রাকাত নফল নামাজের
কথা উল্লেখ রয়েছে যা নিম্নে বর্ণিত
অন্যান্য হাদিসে নেই। কাজেই ধরে
নেয়া যায় যে ১০০ রাকাত নফল
নামাজের ব্যাপারটা অতিরঞ্জিত। পুরো
হাদিসটি বানোয়াট বা জাল বলা নবী
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের
বাণীকে অস্বীকার করার শামিল। নবী
দুশমন নব্য ফেতনাবাজ আহলে হাদিস
নামধারীরা এরকম করে থাকে। আল্লাহর
লানত তাদের উপর।
ﻋﻦ ﻋﺎﺋﺸﺔ : ﻗﺎﻟﺖ ﻓﻘﺪﺕ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭ
ﺳﻠﻢ ﻟﻴﻠﺔ ﻓﺨﺮﺟﺖ ﻓﺈﺫﺍ ﻫﻮ ﺑﺎﻟﺒﻘﻴﻊ ﻓﻘﺎﻝ ﺃﻛﻨﺖ ﺗﺨﺎﻓﻴﻦ
ﺃﻥ ﻳﺤﻴﻒ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻚ ﻭﺭﺳﻮﻟﻪ ؟ ﻗﻠﺖ ﻳﺎ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺇﻧﻲ
ﻇﻨﻨﺖ ﺃﻧﻚ ﺃﺗﻴﺖ ﺑﻌﺾ ﻧﺴﺎﺀﻙ ﻓﻘﺎﻝ ﺇﻥ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﺰ ﻭ ﺟﻞ
ﻳﻨﺰﻝ ﻟﻴﻠﺔ ﺍﻟﻨﺼﻒ ﻣﻦ ﺷﻌﺒﺎﻥ ﺇﻟﻰ ﺍﻟﺴﻤﺎﺀ ﺍﻟﺪﻧﻴﺎ ﻓﻴﻔﻐﺮ
ﻷﻛﺜﺮ ﻣﻦ ﻋﺪﺩ ﺷﻌﺮ ﻏﻨﻢ ﻛﻠﺐ
হযরত আয়শা রাঃ বলেন-এক রাতে রাসূল
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে
না পেয়ে খুজতে বের হলাম। খুঁজতে
খুঁজতে জান্নাতুল বাকীতে [মদীনার
কবরস্থান] গিয়ে আমি তাঁকে দেখতে
পেলাম। তিনি বললেন-কি ব্যাপার
আয়শা? [তুমি যে তালাশে বের হলে?]
তোমার কি মনে হয় আল্লাহ এবং তাঁর
রাসূল তোমার উপর কোন অবিচার করবেন?
[তোমার পাওনা রাতে অন্য কোন বিবির
ঘরে গিয়ে রাত্রিযাপন করবেন?] হযরত
আয়শা রাঃ বললেন- আমার ধারণা হয়েছিল
আপনি অন্য কোন বিবির ঘরে গিয়েছেন।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
তখন বললেন-যখন শাবান মাসের ১৫ই রাত
আসে অর্থাৎ যখন শবে বরাত হয়, তখন
আল্লাহ পাক এ রাতে প্রথম আসমানে
নেমে আসেন। তারপর বনু কালব গোত্রের
বকরীর পশমের চেয়ে বেশী সংখ্যক
বান্দাদেরকে ক্ষমা করে দেন। {সুনানে
তিরমিযী, হাদীস নং-৭৩৯, মুসনাদে
আহমাদ, হাদীস নং-২৬০২৮, মুসনাদে আব্দ
বিন হুমাইদ, হাদীস নং-১৫০৯ {
ﻋﻦ ﻣﻌﺎﺫ ﺑﻦ ﺟﺒﻞ ﻋﻦ ﺍﻟﻨﺒﻲ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭ ﺳﻠﻢ ﻗﺎﻝ
: ( ﻳﻄﻠﻊ ﺍﻟﻠﻪ ﺇﻟﻰ ﺧﻠﻘﻪ ﻓﻲ ﻟﻴﻠﺔ ﺍﻟﻨﺼﻒ ﻣﻦ ﺷﻌﺒﺎﻥ
ﻓﻴﻐﻔﺮ ﻟﺠﻤﻴﻊ ﺧﻠﻘﻪ ﺇﻻ ﻟﻤﺸﺮﻙ ﺃﻭ ﻣﺸﺎﺣﻦ )
হযরত মুয়াজ বিন জাবাল রাঃ থেকে
বর্ণিত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন-অর্ধ
শাবানের রাতে [শবে বরাতে] আল্লাহ
তাআলা তাঁর সমস্ত মাখলুকের প্রতি
মনযোগ আরোপ করেন এবং মুশরিক ও
বিদ্বেষ ভাবাপন্ন ব্যক্তি ছাড়া সকলকে
ক্ষমা করে দেন। {সহীহ ইবনে হিব্বান,
হাদীস নং-৫৬৬৫, মুসনাদুল বাজ্জার,
হাদীস নং-২৭৫৪, মুসনাদে ইসহাক বিন
রাহওয়াই, হাদীস নং-১৭০২, আল মুজামুল
আওসাত, হাদীস নং-৬৭৭৬, আল মুজামুল
কাবীর, হাদীস নং-২১৫, সুনানে ইবনে
মাজা, হাদীস নং-১৩৯০, মুসনাদুশ শামীন,
হাদীস নং-২০৩, মুসন্নাফে ইবনে আবী
শাইবা, হাদীস নং-৩০৪৭৯, শুয়াবুল ঈমান,
হাদীস নং-৬২০৪}
এ হাদীসটির ব্যাপারে গায়রে
মুকাল্লিদদের ইমাম শায়েখ আলবানীর
বক্তব্য
-----------

গায়রে মুকাল্লিদ তথা কথিত আহলে
হাদীসদের ইমাম আলবানী তার
সিলসিলাতুস সাহিহাহর ৩ নং খন্ডের ১৩৫
নং পৃষ্ঠায় উক্ত হাদীসটির ব্যাপারে
বলেন। 'এই হাদিসটি সহীহ' এটি
সাহাবাদের এক জামাত বর্ণনা করেছেন
বিভিন্ন সূত্রে যার একটি অন্যটিকে
শক্তিশালী করেছে। তাদের মাঝে
রয়েছেন # মুয়াজ বিন জাবাল রাঃ # আবু
সা'লাবা রাঃ # আব্দুল্লাহ বিন আমর রাঃ
# আবু মুসা আশয়ারী রাঃ # আবু হুরায়রা
রাঃ # আবু বকর সিদ্দীক রাঃ # আউফ বিন
মালিক রাঃ # আয়েশা রাঃ প্রমুখ
সাহাবাগণ।
উপরে বর্ণিত সবক'টি বর্ণনাকারীর হাদিস
তিনি তার কিতাবে আনার মাধ্যমে
সুদীর্ঘ আলোচনার পর শেষে তিনি বলেন -
ﻭ ﺟﻤﻠﺔ ﺍﻟﻘﻮﻝ ﺃﻥ ﺍﻟﺤﺪﻳﺚ ﺑﻤﺠﻤﻮﻉ ﻫﺬﻩ ﺍﻟﻄﺮﻕ ﺻﺤﻴﺢ
ﺑﻼ ﺭﻳﺐ ﻭ ﺍﻟﺼﺤﺔ ﺗﺜﺒﺖ ﺑﺄﻗﻞ ﻣﻨﻬﺎ
ﻋﺪﺩﺍ ﻣﺎ ﺩﺍﻣﺖ ﺳﺎﻟﻤﺔ ﻣﻦ ﺍﻟﻀﻌﻒ ﺍﻟﺸﺪﻳﺪ ﻛﻤﺎ ﻫﻮ ﺍﻟﺸﺄﻥ
ﻓﻲ ﻫﺬﺍ ﺍﻟﺤﺪﻳﺚ ، ﻓﻤﺎ ﻧﻘﻠﻪ
ﺍﻟﺸﻴﺦ ﺍﻟﻘﺎﺳﻤﻲ ﺭﺣﻤﻪ ﺍﻟﻠﻪ ﺗﻌﺎﻟﻰ ﻓﻲ ” ﺇﺻﻼﺡ ﺍﻟﻤﺴﺎﺟﺪ
” ( ﺹ 107 ) ﻋﻦ ﺃﻫﻞ ﺍﻟﺘﻌﺪﻳﻞ
ﻭ ﺍﻟﺘﺠﺮﻳﺢ ﺃﻧﻪ ﻟﻴﺲ ﻓﻲ ﻓﻀﻞ ﻟﻴﻠﺔ ﺍﻟﻨﺼﻒ ﻣﻦ ﺷﻌﺒﺎﻥ
ﺣﺪﻳﺚ ﺻﺤﻴﺢ ، ﻓﻠﻴﺲ ﻣﻤﺎ ﻳﻨﺒﻐﻲ
ﺍﻻﻋﺘﻤﺎﺩ ﻋﻠﻴﻪ ، ﻭ ﻟﺌﻦ ﻛﺎﻥ ﺃﺣﺪ ﻣﻨﻬﻢ ﺃﻃﻠﻖ ﻣﺜﻞ ﻫﺬﺍ
ﺍﻟﻘﻮﻝ ﻓﺈﻧﻤﺎ ﺃﻭﺗﻲ ﻣﻦ ﻗﺒﻞ
ﺍﻟﺘﺴﺮﻉ ﻭ ﻋﺪﻡ ﻭﺳﻊ ﺍﻟﺠﻬﺪ ﻟﺘﺘﺒﻊ ﺍﻟﻄﺮﻕ ﻋﻠﻰ ﻫﺬﺍ ﺍﻟﻨﺤﻮ
ﺍﻟﺬﻱ ﺑﻴﻦ ﻳﺪﻳﻚ . ﻭ ﺍﻟﻠﻪ ﺗﻌﺎﻟﻰ ﻫﻮ ﺍﻟﻤﻮﻓﻖ
অর্থাৎ সারকথা হল এই যে, নিশ্চয় এই
হাদিসটি এই সকল সূত্র পরম্পরা দ্বারা
সহীহ, এতে কোন সন্দেহ নেই। আর সহীহ
হওয়া এর থেকে কম সংখ্যক বর্ণনার
দ্বারাও প্রমাণিত হয়ে যায়, যতক্ষণ না
মারাত্মক কোন দুর্বলতা থেকে বেঁচে
যায়, যেমন এই হাদিসটি হয়েছে। আর যা
বর্ণিত শায়েখ কাসেমী থেকে তার
প্রণিত 'ইসলাহুল মাসাজিদ' গ্রন্থের ১০৭
নং পৃষ্ঠায় জারাহ তা'দীল ইমামদের
থেকে যে, 'শাবানের অর্ধ মাসের রাতের
কোন ফযীলত সম্পর্কে কোন হাদিস নেই
মর্মে' সেই বক্তব্যের উপর নির্ভর করা
যাবেনা। আর যদি কেউ তা মেনে নেয়
সে হবে ঝাঁপিয়ে পড়া (ঘারতেড়া)
স্বভাবের, আর তার ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ ও
গবেষণা-উদ্ভাবনের কোন যোগ্যতাই নেই
এরকমভাবে যেমন আমি করলাম।
আলবানী সাহেবের বিশ্লেষণ থেকে
একথা নির্ধিদ্ধায় আমরা বলতে পারি
হাদিস দ্বারা শবে বারাত প্রমাণিত।

মানুন
না
মানুন
আপনার
ব্যাপার ,
তবে
মোরতে তো
এক দিন
হবেই!
তখন টের পাবেন।
imageহাদিস শরীফের আলোকে শবে বরাতের ফজিলত কি?? http://yanabi.in/u/z

Comments

Sign In or Register to comment.
|Donate|Shifakhana|Urdu/Hindi|All Sunni Site|Technology|