بسم الله الرحمن الرحيم
اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ Sunni Whatsapp Group Click : আমাদের সুন্নি বাংলা WhatsApp গ্রুপে যুক্ত হোন,আমাদের মুফতি হুজুরগণ আপনার ইসলামিক সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিবেন ইন শা আল্লাহ,জয়েন করতে ক্লিক করেন Sunni Bangla Whatsapp group আর Sunni Bangla facebook group এবং Sunni Bangla facebook group মাসলাক এ আলা হজরত জিন্দাবাদ আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত জিন্দা বাদ ৭৩ফিরকা ১টি হক পথে ।নবিﷺ এর প্রেমই ঈমান।ফরজ সুন্নাত তাসাউফ সূফীবাদ নফল ইবাদতের আরকান আহকাম সমুহ মাস'আলা মাসায়েল ইত্যাদি জানতে পারবেন।নবিﷺ সাহাবাرضي الله عنه ওলি গণের জীবনি ও অমুল্য বাণী জানতে পারবেন।মুসলিম জগতের সকল খবর ও ম্যাগাজিন পাবেন এখানেহাদিস শরীফ, কুর'আন শরীফ , ইজমা কিয়াস সম্বলিত বিশ্লেষণ, বাতিলদের মুখোশ উম্মচন করে প্রমাণ সহ দলীল ভিত্তিক আলোচনা ।জানতে পারবেন হক পথে কারা আর বাতিল পথে কারা জা'আল হক। বাংলাদেশ ও ভারতের সুন্নি আলিমদের বাংলায় নাত গজল ওয়াজ নসিহত অডিও ভিডিও ডাউনলোড করুন এখান থেকে অনলাইনে সুন্নি টিভি Live দেখতে আর রেডিও Live শুনতে পাবেন। প্রচুর সুন্নি বাংলা কিতাব ডাউনলোড করুন এখান থেকে।সুন্নি ইসলামিক কম্পিঊটার এপ্লিকেশন এন্ড্রইড এপ্স পাবেন এখানে। প্রতিদিন ভিজিট করুন প্রতিদিন নতুন বিষয় আপডেট পেতে ।ভিজিট করার জন্য ধন্যবাদ জাজাকাল্লাহু খায়ের ।
রমজান মাসের ফজীলত, করণীয় ও বর্জনীয় কি?

রমজান মাসের ফজীলত, করণীয় ও বর্জনীয় কি?

এখানে কিল্কিকরে পড়ুন

তায়েফে রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম যখন দ্বিন প্রচার করতে গেলেন তখন তায়ফবাসী পাথর মেরে ওনাকে রক্তাক্ত করে দিলেন। হযরত জীবরিল (আলায়হিওয়াসাল্লাম:) দুপাহাড়কে একত্রিত করে তায়েফবাসীকে ধংস করে দেয়ার অনুমতি চাইলেন। রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম বললেন, "হে আল্লাহ, তাদেরকে হেদায়েত দান করুন"। আর একবার হযরত জীবরিল (আলায়হিওয়াসাল্লাম ) বললেন "যে রমজান মাস পেয়েও তার গোনাহ ক্ষমা করে নিতে পারল না সে ধংস হোক"। এটা শুনে রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম বললেন "আমীন"।তায়েফবাসী যারা ছিল কাফের, তাদের জন্য বদদোয়া করলেন না, অথচ মুসলমানদের জন্য রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম বদদোয়া করলেন। এটা কেনো? একটি উদাহরণ দিয়ে বিষয়টি বোঝা যাক-মনে করুন একটি ১৫,১৬ বছরের ছেলেকে আপনি ৫ + ৫ কত হয় জিগ্যেস করলেন, সে যদি না পারে তখন আপনি অবশ্যই আশ্চর্য হবেন এবং তাকে তিরস্কার করবেন, এমন সহজ একটি যোগ না পারার কারণে। রমজান মাসের এমন ফজীলত এবং আল্লাহর এত অসীম রহমত নাজীল হয় যে, এরপরও কেউ যদি তার গোনাহ মাফ করে নিতে না পারে, তাহলে সে-ও তেমন তিরস্কারে যোগ্য, যেমন যোগ্য একটি ১৫, ১৬ বছরের ছেলে ৫ + ৫ কত সেটা যদি না বলতে পারার কারণে । হযরত মোজাদ্দেদ আল ফেসানী (রহ:) তার মকতুবাতে বলেন, রমজান মাসে যে রহমত নাজীল হয় তার তুলনায় অন্যান্য মাসের নাজিলকৃত রহমত, সমুদ্রের তুলনায় এক ফোটা পানির মতো। এই কারণে সমস্ত আসমানী কিতাব নাজিল হয়েছে রমজান মাসে। এই মাসে কোনো নফল করলে সেটা ফরজের সমান সওয়াব, আর কোনো ফরজ করলে সেটা ৭০ গুণ সওয়াব। পূর্ববর্তি মুত্তাকী, আল্লাহওয়ালা গণ একজন আর একজনকে প্রশংসা করার সময় বলতেন, সেই ব্যক্তি এতগুলো রমজান পেয়েছে তার জীবনে, এটাই তার গ্রহনযোগ্যতার প্রমান, সোবহানাল্লাহ। হাদিস শরীফে এসেছে, রসুলুল্লাহ দোয়া করতেন "হে আল্লাহ, রজব ও শাবান মাসে আমাদের জন্য বরকত দান করুন এবং আমাদেরকে রমজান পর্যন্ত পৌছিয়ে দিন"। এ মাসটি কত বরকতময় যে তা পাবার জন্য আল্লাহর রসুল পর্যন্ত দোয়া করতেন। সুবহানা্ল্লাহ আল্লাহ-তাআলা ক্বোরআন কারীমায় বলেন –
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ كُتِبَ عَلَيْكُمُ الصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى الَّذِينَ مِن قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ
 
হে ঈমানদারগণ! তোমাদের উপর রোজা ফরয করা হয়েছে, যেরূপ ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর, যেন তোমরা পরহেযগারী অর্জন করতে পার।
(সুরাহ বাকারাহ: ১৮৩)
উপরের আয়াতে আল্লাহতাআলা বলেন, রোজা এই কারণে ফরজ করা হয়েছে যাতে আমরা পরহেজগার, মুত্তাকী হতে পারি। আর পরহেজগার হবার জন্য প্রথম গোনাহ পরিত্যাগ করতে হবে, তারপর নেকী বেশী বেশী করে করতে হবে।
গোনাহ বর্জন
রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম বলেন "অনেকে রোজার দ্বারা ক্ষুধার্ত এবং তৃষনার্ত ছাড়া অন্য কিছুই লাভ করেনা। অন্য এক হাদিস শরীফে বলেন "যে গর্হিত কথাবর্তা এবং পাপ কাজ পরিত্যাগ করতে পারেনা, আল্লাহ সুবহানাহু তাআলার তার খাবার এবং পানীয় ত্যাগ করায় কোনো প্রয়োজন নেই। অর্থ্যাৎ তার রোজা গ্রহণীয় নয়। সহীহ আল বুখারী (ভলি:৩, হাদিস:১২৭) সবরকম গোনাহ থেকে বেচে থাকতে হবে। এর মধ্যে আর একটি ভয়াবহ গোনাহ হোলো গীবত। গীবতে একটি ঘটনা নীচে বলা হোলো: গীবত থেকে বেচে থাকা: রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম এর যুগে দুই মহিলা রোজা রাখল। রোযায় তাদের এত কষ্ট হোলো যে, তারা মৃত্যুর মুখোমুখী হোলো। রসুলুল্লাহ এর খেদমতে বিষয়টি জানানো হলে তিনি তাদের কুলি করতে বললেন। তারা কুলি করলে তাদের মুখ থেকে ছোটো গোস্তের টুকরা বের হোলো। তারা আশ্চর্য হয়ে বলল, আমরা তো কোনো পানাহারই করিনি। রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম বললেন, মুলত তোমরা রোজা রেখে অন্যের গীবত করেছ। আর গীবত হোলো মৃত ভাইয়ের গোস্ত খাওয়া। বর্তমানে আমাদের এমন অব্হা যে, চুপ থাকলে সওয়াব হয়, আর কথা বললে গীবত করি। অনেকে তো এটাকে গোনাহ মনে করি না। সাধারন মুসলমান থেকে শুরু করে আলেমগণ পর্যন্ত এই গোনাহে লিপ্ত। গীবতে আর একটি ভয়াবহ দিক হোলো, আপনি যার গীবত করছেন, তার গোনাহ গুলো আপনার আমলনামায় চলে আসবে আর আপনার নেকীগুলো তার আমলনামায় চলে যাবে। এমনি আমাদের আমল কত কম, এরপর যদি নেকগুলো চলে যায়, তাহলে আফসোসের বিষয়। হযরত শেখ শাদী (রহ:) ছোটকালে তার বাবার সাথে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়তেন। একদিন তিনি তার পিতাকে বললেন আব্বা বাসার অন্যান্যরা কিন্তু তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ছে না। তার পিতা বললেন, "তারা তোমার চেয়ে উত্তম, আরো ভালো হোতো তুমি যদি নামাজ না পড়ে তাদের মতো ঘুমিয়ে থাকতে।" শেখ শাদি (রহ:) এর কারণ জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন "তারা ঘুমিয়ে আছে অথচ কারো গীবত করছে না , যেটা তুমি করছ"। ভাবলে অবাক হতে হয়, কত সতর্ক ছিলেন তারা। আজ আমরা সৎ কাজের আদেশ এবং অসৎ কাজের নিষেধ মনে করে গীবত করি। যেটাও শয়তানের ধোকা।
অন্যান্য গোনাহ
আসুন এই রোজায় সময় গীবত করা থেকে বাঁচি
আল্লাহ যেন হেফাজত করুন (আমিন)

Comments

Sign In or Register to comment.
|Donate|Shifakhana|Urdu/Hindi|All Sunni Site|Technology|